রবিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ২:৪৮
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

তথ্যপ্রযুক্তি আইনের মামলায় খালাস পেলেন সাংবাদিক প্রবীর শিকদার

ডেস্করিপোর্ট  তথ্যপ্রযুক্তি আইনের মামলায় খালাস পেয়েছেন সাংবাদিক প্রবীর সিকদার। বৃহস্পতিবার ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেন এই মামলার রায় ঘোষণা করেন।

ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর নজরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। রায় ঘোষণার সময় আদালতে হাজির ছিলেন প্রবীর শিকদার।

গত ২২ মার্চ আদালতে দুই পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়। সেদিন প্রবীর শিকদারের পক্ষে যুক্তিতর্ক শুনানি করেন আইনজীবী আমিনুল গনী টিটো।

অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন সরকারি কৌঁসুলি নজরুল ইসলাম শামিম। যুক্তিতর্ক শুনানিতে তিনি আদালতে বলেন, প্রবীর শিকদারের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।

২০১৫ সালের ৬ আগস্ট সরকারের সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে নিয়ে ফেসবুকে মানহানিকর পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে প্রবীর শিকদারের নামে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় আইসিটি আইনের ৫৭ ধারায় মামলা হয়।

জেলা পূজা উদ্‌যাপন কমিটির উপদেষ্টা স্বপন পাল এ মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পর প্রবীর শিকদারকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তিনি জামিনে কারামুক্ত হন।

মামলা ও আদালতের নথিপত্রের তথ্য বলছে, প্রবীর শিকদারের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। রাষ্ট্রপক্ষে এই মামলায় ১০ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, প্রবীর শিকদার তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ‘আমার জীবন শঙ্কা তথা মৃত্যুর জন্য যারা দায়ী থাকবেন’ শিরোনামে একটি পোস্ট দেন। শিরোনামের নিচে প্রবীর শিকদার তার মৃত্যুর জন্য দায়ী থাকবেন বলে তিনজনের নাম লেখেন। তার মধ্যে ১ নম্বরে ছিল তৎকালীন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম।

এজাহারে বাদী অভিযোগ করেন, এই পোস্ট পড়ে মনে হয়েছে, প্রবীর শিকদার ইচ্ছাকৃতভাবে খন্দকার মোশাররফ হোসেন সম্পর্কে মিথ্যা ও অসত্য লেখা লিখে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন।

২০০১ সালে দৈনিক জনকণ্ঠের ফরিদপুর প্রতিনিধি থাকার সময় সন্ত্রাসীর হামলায় গুরুতর আহত হয়ে পঙ্গু জীবন যাপন করছেন তিনি।